ভাইবার বটে লাইভ করোনা টেস্ট এর উদ্বোধন করলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক

ঢাকা, ২ মে ২০২০:

নাগরিকদরে করোনার ঝুঁকি নির্ণয়ের জন্য জনপ্রিয় ভাইবার বটে লাইভ করোনা টেস্ট চালু করেছে সরকার।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এক অনলাইন (জুম) সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে https://vb.me/ict_bot_bangladesh2020_pr শীর্ষক ঠিকানার এ বটটির উদ্বোধন করেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ এবং এমসিসি’র সহাতায়র তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই সফটওয়্যারভিত্তিক ভাইবার বট এর সাহায়্যে যে কেউ তাঁর করোনা ঝুঁকির মাত্রা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে পারবেন।এলআইসিটি প্রকল্পের আইটি-আইটিইএস পলিসি অ্যাাডভাইজার সামি আহমেদ ভাইবার বটের চালুর কার্যক্রমের সমন্বয় করেন।
এ বট থেকে প্রাপ্ত ফলাফলকে অভিজ্ঞ ডাক্তার কর্তৃক স্বাস্থ্য পরামর্শ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। যে কোন জরুরী পরিস্থিতিতে অবশ্যই ডাক্তারদের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
https://vb.me/ict_bot_bangladesh2020_pr ঠিকানায় বটটি ব্যবহার করতে গেলে ব্যবহারকারির অবশ্যই ভাইবার অ্যাপ ও ভাইবারে অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

এ উপলক্ষে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্য হচ্ছে প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তি ব্যবহার। যাতে সকলেই যাতে প্রযুক্তি ব্যবহারে সমান সুযোগ পায়। এজন্য সরকার মাহামারির মতো দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রযুক্তিসহ নানা উদ্ভাবনীর সর্বোত্তম ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিতায় নাগরিকদের করোনার ঝুঁকি টেস্টের জন্য ভাইবার বট চালু করা হয়েছে। নাগরিকরা স্বয়ংক্রিয় ভাইবার বটের মাধ্যমেও এখন থেকে কোভিড-১৯ বা নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত হবার ঝুঁকি নির্ণয় করা যাবে।
পলক বলেন, আমরা এ পর্যন্ত প্রযুক্তির ব্যবহার করে করোনার বিষয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের ডাটা সংগ্রহ করেছি। যার বিশ্লেষণ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষ করনীয় নির্ধারণ করছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ভাইবারের সিনিয়র ডিরেক্টর অনুভব নাইয়ার, এলআইসিটি প্রকল্পের আইটি-আইটিইএস পলিসি অ্যাডভাইজার সামি আহমেদ, এমসিসি লি: এর প্রধান নির্বাহী আশরাফ আবির বক্তব্য রাখেন।

এই বিষয়ে ভাইবারের সিনিয়ার ডিরেক্টর অনুভব নাইয়ার বলেন, ‘বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সাথে যৌথ উদ্যোগে এমন একটি প্রতিশ্রুতিশীল স্বাস্থ্যসেবা বট চালু করতে পারায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই প্রযুক্তির লক্ষ্য হচ্ছে মহামারীটির বৃদ্ধির গতিকে ধীর করে আনা। আমার বিশ্বাস, এই যৌথ উদ্যোগের ফলে মহামারীটি ছড়িয়ে পড়ার আগেই দেশটি এর বিরুদ্ধে শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
উল্লেখ্য,এর আগে গত ৩০ মার্চ প্রতিমন্ত্রী একটি অনলাইন প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে, করেনা ভাইরাসের ঝুঁকি নির্ণয়ের জন্য একটি অনলাইন টেস্ট টুল এর উদ্বোধন করেন। এটি দেশের সমস্ত অঞ্চল থেকেই ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে ব্যবহারকারীদের সংখ্যা ও পরিধি বাড়াতে এবার জনপ্রিয় ভাইবার এ্যাপেও এই সেবা যুক্ত করা হলো।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *