আপনি কেন Android Development শিখবেন?

অ্যানড্রয়েড (ইংরেজি: Android) বা এন্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যেটি মোডিফাইড লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে গুগল এটির উন্নয়ন করছে। গুগল এলএলসি প্রাথমিক ডেভেলপারদের (অ্যানড্রয়েড ইনকর্পোরেট) কাছ থেকে অ্যানড্রয়েড কিনে নেয় ২০০৫ সালে। গুগল এবং অন্যান্য মুক্ত হ্যান্ডসেট এল্যায়েন্সের সদস্যরা অ্যানড্রয়েডের ডেভেলপমেন্ট ও রিলিজ নিয়ন্ত্রন করে থাকে । অ্যানড্রয়েড ওপেন সোর্স প্রজেক্ট’টি (এওএসপি) অ্যানড্রয়েডের রক্ষনাবেক্ষন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের কাজ করে । অ্যানড্রয়েড বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম ।
বুঝাগেলো?
এখন যেহেতু সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করে, তাই এখন এখানেই রেভিনিউ জেনারেট করার স্কোপ সবচেয়ে বেশি। অনেক অনেক বেশি। ২০১২ তে অ্যাপ মার্কেটের ভ্যালু ছিল $10 বিলিয়ন ডলার। যার গ্রোথ ১০০%। এখন যা ১০০ বিলিয়ন এই মার্কেটের ৫% বাংলাদেশে আনতে পারলে আমাদের ন্যাশনাল বাজেট থেকে বেশি হবে। আনতে পারাটা কঠিন নয়। দরকার সবার চেষ্টা। নিজ নিজ স্থান থেকে ভালো করে অ্যাপ ডেভেলপ করা, মানিটাইজ করা। নিজের জন্যই। মার্কেটটা বিশাল। নিজের জন্য কাজ করে যাবেন। এক নিজের অজান্তেই দেশেরও উপকার হবে। দেশের জন্য কাজ করা গর্বের নয় কি?
এ ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য অ্যাপ তৈরির রয়েছে বিশাল সুযোগ। আজ কাল প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েব সাইটের পাশা পাশী একটি অ্যাপ ডেভেলপ করে নিচ্ছে। তা ছাড়া বিজনেস যারা করে, তারা সব কিছু চায় নিজেরা দেখা শুনা করতে। তাই যারা বিজনেস করে, তারা যদি তাদের বিজনেসের সকল আপডেট নিজ মোবাইলে বা ট্যাবে পেয়ে যায়, দারুণ হয় তাদের জন্য। প্রোডাক্টিভিটি বেড়ে যাবে তাদের। শুধু একটা অ্যাপই পারে তা করতে।
https://computerbarta.net/wp-content/uploads/2019/08/ad.jpg

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here